1. rsumon83@gmail.com : Gobi Khobor : Mostofa Kamal
  2. omar1@gobikhobor.com : omar Faruk : omar Faruk
  3. ariful.bpi2012@gmail.com : Ariful Islam : Ariful Islam
  4. omar@gobikhobor.com : omar Faruk : omar Faruk
  5. rsaidul34@gmail.com : Saidul Islam : Saidul Islam
হঠাৎ দোকানপাট বন্ধের ঘোষণায় গোবিন্দগঞ্জে ব্যবসায়ীদের মাতম চলছে - গোবি খবর
শুক্রবার, ২৯ মে ২০২০, ১১:৪৮ অপরাহ্ন

হঠাৎ দোকানপাট বন্ধের ঘোষণায় গোবিন্দগঞ্জে ব্যবসায়ীদের মাতম চলছে

  • আপডেট করা হয়েছে : মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২০
  • ৮১৩ বার পঠিত

মোস্তফা কামাল সুমন: গোদের উপর বিষফোঁড়া হয়ে দেখা দিয়ে হঠাৎ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধের সিদ্ধান্ত। করোনা প্রতিরোধে সরকারের সাধারণ ছুটি ও  জেলায় ঘোষিত লকডাউনের কারণে দীর্ঘদিন ধরে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ।দীর্ঘদিন পরে বন্ধ দোকান খোলার সিদ্ধান্ত দিয়ে তা আবারও বন্ধ ঘোষণা করে বিপদে ফেলে দিয়েছে সরকার বলে ব্যবসায়ীদের আক্ষেপ। স্বল্পকালীণ খোলার এই সিদ্ধান্তের কারণে তারা চরম বিপদে পড়েছে। আর এই নিয়ে গোবিন্দগঞ্জে ব্যবসায়ীদের মাতম চলছে।

গাইবান্ধা জেলায় করোনা প্রতিরোধে দেওয়া স্বাস্থ্যবিধি না মেনে ধুমছে চলছিল ঈদ কেন্দ্রিক বেচাকেনা। এতে চরম ঝুঁকিতে পরে গাইবান্ধার করোনা নিয়ন্ত্রনের চেষ্টা। এজন্য গতকাল সোমবার জেলা প্রশাসক আবদুল মতিন জেলার সার্বিক কল্যাণের জন্য ওইদিন বেলা ৪টা থেকে  বিপনী বিতান বিশেষত্ব কাপড়ের দোকান, গার্মেন্টস, কসমেটিক্স ও জুতার দোকান অনির্দিষ্টকালে জন্য বন্ধ ঘোষণা করে গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেন। আর এতেই কপাল পুড়ে যায় শত শত ব্যবসায়ীর।

গোবিন্দগঞ্জের জুতা ব্যবসায়ী খলিল জানান, দীর্ঘদিন ধরে দোকান বন্ধ। দোকানে থাকা অনেক জুতার মেয়াদ উর্ত্তীর্ণ হয়ে গিয়েছিল। সরকার দোকান খোলার অনুমতি দেওয়ায় সেই সাথে ঈদ মৌসুম  হওয়ার ধার দেনা করে বিপুল পরিমান জুতা পাইকারী কিনে আনি। কিন্তু ঈদের এই ভরা মৌসুমে আবারও দোকান বন্ধ করে দেওয়ায় তার প্রচুর ক্ষতি হয়ে গেল। বিপুল পরিমান জুতা আটকে গেল। সেই সাথে ঋণের দায় এসে পড়লো তার উপরে। তার এখন এমন অবস্থা যে ঈদের এই কয়টা দিন স্বাভাবিক ভাবে চলাই কঠিন হয়ে যাবে বলে তিনি জানান।

গোবিন্দগঞ্জ পৌর শহরের কসমেটিক্স ব্যবসায়ী ফরহাদ জানান, কি দরকার ছিল দোকান খোলার অনুমতি দেওয়ার। এই অনুমতি দিয়ে আবার বন্ধ করায় তার কয়েক লাখ টাকা ঋণ বেড়ে গেল। তিনি আরো জানান, দীর্ঘদিন পর দোকান খুলে দেওয়ার পর ব্যবসা ভালই হচ্ছিল। তাই তিনি ধার ও সুদের উপর টাকা নিয়ে কয়েক লাখ টাকার কসমেটিক্স সামগ্রী ক্রয় করেন। কিন্তু হঠাৎ দোকান বন্ধের সিদ্ধান্ত আসায় তার যেন মাথায় উপরে আকাশ ভেঙ্গে পড়ছে। মাত্র এই কয়েকদিনের জন্য সুদের টাকা ধার নিয়ে মাল কিনলেন কেন ? এমন প্রশ্নের জবাবে ফরহাদ জানান, ভাই শুধু এক চাঁদ রাতেই দেড় থেকে দুই লাখ টাকা বিক্রি হয়। তাই একটু ঝুঁকি নিতেই হয়।

আজ মঙ্গলবার দুপুর বারোটা নাগাদ গোবিন্দগঞ্জ পৌর শহরের রাজমতি সুপার মার্কেট, শোভা মার্কেট সহ আশেপাশের মার্কেটের ব্যবসায়ীদের দোকান বন্ধ রেখে রাস্তায় দাঁড়িয়ে হা হুতাশ করে মাতম করতে দেখা যায়।

(প্রচ্ছদ ছবি প্রতীকী)

Comments

comments

এই খবর সবার সাথে শেয়ার করুন

এই ধরনের আরও খবর

গোবিন্দগঞ্জ ও তৎসংলগ্ন এলাকার জন্য

সারাদেশের জন্য

© স্বত্ব গোবিখবর ২০১৩-২০২০

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft