সর্বশেষ সংবাদ

গাইবান্ধা-৩ আসনের উপ-নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় মেজর মফিজুল

আরিফ উদ্দিন, স্টাফ রিপোর্টার, গাইবান্ধা থেকে: ৩১-গাইবান্ধা-৩ (পলাশবাড়ী-সাদুল্লাপুর) আসনের উপ-নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন মেজর (অবঃপ্রাপ্ত) মফিজুল হক সরকার। তিনি ছাত্রজীবনেই বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক আদর্শের প্রতি আস্থাশীল হয়ে ছাত্রলীগের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হন।

ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানসহ ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর স্বাধীন বাংলার বুকে মুক্তির পতাকা উড়িয়ে ঘরে ফেরেন যুবক মেজর (অবঃপ্রাপ্ত) মফিজুল হক সরকার। ১৯৭০ সালে বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে উত্তরবঙ্গের কয়েকটি জেলার ছাত্রলীগকে সংগঠিত করার জন্য বিভিন্ন জেলায় তিনি কাজ করেন। ১৯৭১ সালে গাইবান্ধায় কাচারী বাজার প্রেসক্লাবে প্রথম বিজয় পতাকা উত্তোলন করেন, মফিজুল হক সরকার সে সময় অন্যান্যদের মধ্যে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা সৈয়দ শামছ্জ্জুামান হিরো, নাজমুল আরেফিন তারেক ও মোহাজ্জেম হোসেন লালুসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।

বঙ্গবন্ধুর ডাকে এবার সদ্য স্বাধীন দেশ পূণর্গঠনে যোগ দিলেন বঙ্গবন্ধুর হাতে যুদ্ধ ফেরত সৈনিকদের দ্বারা গঠিত সেনাবাহিনীতে। সেনাবাহিনীতে একিভূত হয়ে মেজর মফিজুল হক সরকার যোগদান করেন। যোগদানের পর ১৯৯২ সালের মে মাসে চারদলীয় ঐক্যজোট সরকারের সময় বেগম খালেদা জিয়ার সহোদর ভাই মেজর সাঈদ এস্কান্দার বাধ্যতামূলক ভাবে অবসরে পাঠায়।

অবসর গ্রহণের পর আবারো রাজনীতি ও ব্যবসায় জড়িয়ে পরেন। তিনি অবসর গ্রহণের পর নিজ এলাকায় ফিরে এসে পলাশবাড়ী ও সাদুল্লাপুর নিবার্চনী এলাকার বিভিন্ন মসজিদ, কওমি মাদ্রাসা ছাড়াও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উন্নয়নমূলক কাজ করে আসছেন।

জননেত্রী শেখ হাসিনার একজন বিশ্বস্থ সহযাত্রীবীরমুক্তিযোদ্ধা মেজর (অবঃপ্রাপ্ত) মফিজুল হক সরকার। আসন্ন গাইবান্ধা-৩ আসনের উপ-নির্বাচনে অন্যতম একজন হেভিওয়েট প্রার্থী। স্থানীয় রাজনীতিতে সকল বিতর্ক-বিভেদের উর্দ্ধে একজন গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরোপকারী মানুষটিকে সমাজের আর দশজনে সমীহ করে থাকে।

উল্লেখ্য গাইবান্ধা-৩ আসনের সংসদ সদস্য ডাঃ ইউনুস আলী সরকার ২৭ ডিসেম্বর মারা যান। ফলে এ আসনটি শূন্য ঘোষনা করে নির্বাচন কমিশন। নীতিমালা অনুযায়ী ৯০ দিনের মধ্য উপ-নিবার্চন অনুষ্ঠিত হতে হবে।

Comments

comments