সর্বশেষ সংবাদ

পলাশবাড়ীতে বিউটি হত্যাকারী মামুনকে পুলিশের হাতে সোপর্দ

আরিফ উদ্দিন, স্টাফ রিপোর্টার, গাইবান্ধা থেকে: গাইবান্ধার পলাশবাড়ী পৌরশহরের গৃহবধূ বিউটি বেগম (২৩) নৃশংস হত্যা মামলার প্রধান আসামী পলাতক স্বামী মামুনকে (২৮) আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। এসময় হত্যা মামলার অপর প্রধান আসামী গৃহবধূ বিউটির একবছর বয়সি একমাত্র শিশু সন্তানকে নিয়ে শাশুড়ি গোলেজা বেগম (৫০) সুযোগ বুঝে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।

শুক্রবার দুপুরে গোবিন্দগঞ্জের বালুয়াহাটের একটি কোচ কাউন্টার থেকে মামুন তার মাসহ শিশু সন্তানকে নিয়ে ঢাকা যাবার প্রস্তুতির সময় বিউটির বড়ভাই ফিরোজ শেখ তাকে জাঁপটে ধরে গোবিন্দগঞ্জ থানা পুলিশের নিকট সোপর্দ করে।
বিষয়টি মামলার তদন্তকারি সংস্থা গাইবান্ধার সিআইডি পুলিশ বিভাগকে জানালে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডি অফিসার তানভির আহম্মেদ ঘটনাটি গোবিন্দগঞ্জ থানা পুলিশকে অবহতি করেন।পুলিশ বালুয়াহাট থেকে আটককৃত মামুনকে থানায় নিয়ে যায়। মামুন পলাশবাড়ী পৌর এলাকার সিঁধন- গ্রামের আব্দুল মজিদ সরকারের ছেলে।

২০১৯ সালের ১৯ নভেম্বর সকালে পলাশবাড়ী থানা পুলিশ সিঁধনগ্রামে স্বামী-শ্বশরবাড়ি থেকে নিহত বিউটি বেগমের লাশ উদ্ধার করে।পৌরশহরের নুনিয়াগাড়ী গ্রামের আব্দুস সামাদের মেয়ে বিউটি হত্যাকান্ডের ঘটনায় ওইদিনই বিউটির বড়ভাই ফিরোজ শেখ বাদী হয়ে ৪ জনকে আসামী করে এ ব্যাপারে থানায় একটি হত্যা মামলা (নং-১০, তাং-১৯/১১/২০১৯) দায়ের করেন। ময়নাতদন্ত শেষে বিউটির লাশ দাফন সম্পন্ন করা হয়।এদিকে হত্যাকান্ডের পরপরই ঘাতক স্বামী মামুন ও সহযোগি তার মা গোলেজা বেগম বাড়ী থেকে পালিয়ে অন্যত্র গা ঢাকা দেয়।

পুলিশ ঘটনার পরপরই মামলার আসামী নিহতের শ্বশুর মজিদ সরকার (৫৫) ও বড় জাঁ সানজিদা আক্তারকে (৩২) গ্রেফতার করে জেলহাজতে প্রেরন করে। মামলাটির তদন্তভার পরবর্তিতে গাইবান্ধা সিআইডি পুলিশের উপর ন্যস্ত করা হয়। সিআইডি পুলিশের পরামর্শ মোতাবেক নিহতের ভাই ফিরোজ মামলার অপর আসামীদের অবস্থান সন্ধানে সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে অব্যাহত সন্ধান করতে থাকে। এরই একপর্যায় শুক্রবার দুপুরে ফিরোজ তার বোনের হত্যাকারী মামুনকে হাতেনাতে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। এসময় অপর আসামী গোলেজা বেগম তার ছেলে মামুনের একবছর বয়সি একমকত্র শিশু সন্তান আব্দুর রহমানকে কোলে তুলে নিয়ে পালিয়ে যায়।

Comments

comments