1. rsumon83@gmail.com : Gobi Khobor : Mostofa Kamal
  2. sumon@gobikhobor.com : SUMON KAMAL : SUMON KAMAL
  3. ariful.bpi2012@gmail.com : Ariful Islam : Ariful Islam
  4. omar@gobikhobor.com : omar Faruk : omar Faruk
  5. rsaidul34@gmail.com : Saidul Islam : Saidul Islam
  6. rmmksumon@yahoo.com : SUMON KAMAL : SUMON KAMAL
ঝিনাইদহের চিত্রানদী এখন সমতল ভুমি - গোবি খবর
বুধবার, ০৩ জুন ২০২০, ০৬:৫৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
সাতক্ষীরা থেকে ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী আটক অভয়নগরে পানিতে ডুবে জমজ দুই ভাইয়ের মৃত্যু ১৫ জুন পর্যন্ত বন্ধ থাকবে প্রাথমিক বিদ্যালয় সুন্দরগঞ্জের সড়কগুলোয় ধান খড়ের স্তুব ঝুঁকিতে পথচারি সুন্দরগঞ্জে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এক ডাক্তার করোনায় আক্রান্ত সুন্দরগঞ্জে প্যারামেডিকেল ডাক্তার এসোসিয়েশনের ফ্রি চিকিৎসা ক্যাম্প চাঁপাইনবাবগঞ্জে করোনা আক্রান্ত একজনের মৃত্যু ফুলবাড়ী প্রেসক্লাবের বিদায়ী ও নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটির যৌথসভা অনুষ্ঠিত চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিপুল পরিমান নকল ও মেয়াদউত্তীর্ণ কসমেটিকদ্রব্য জব্দ, আটক এক এসএসসি’তে শতভাগ পাস অধিকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পলাশবাড়ীর শিশু কানন স্কুল এন্ড কলেজ

ঝিনাইদহের চিত্রানদী এখন সমতল ভুমি

  • আপডেট করা হয়েছে : মঙ্গলবার, ১৪ জানুয়ারী, ২০২০
  • ৭ বার পঠিত

জাহিদুর রহমান তারিক, ঝিনাইদহ প্রতিনিধি:
ঝিনাইদহের চিত্রানদীর তলদেশ ভরাটের কারনে পানি প্রবাহ বন্ধ হয়ে, এখন সমতল ভুমিতে পরিনত হয়েছে। বর্তমানে বর্ষায় ছাড়া বছরের অন্য কোন সময় পানি থাকে না। আর কিছু কিছু জায়গায় পানি থাকলেও খুবই কম পরিমাণে, যা নদীর প্রবাহতাকে ধরে রাখার জন্য যথেষ্ট নয়। প্রাকৃতিকভাবে দীর্ঘ সময়ের ব্যবধানে নদীতে পলি পড়ে নদীর এমন অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। আবার নদী দখলদাররা নদীর দুই পাড় দখল করে অবৈধ স্থাপনা, পুকুর তৈরি, নিয়মিতভাবে গৃহস্থলির বর্জ্য, বিভিন্ন নালা-নর্দমার বর্জ্য, বৃষ্টির পানি দিয়ে চুয়ে আসা নানান আবর্জনা, দোকানপাটসহ গরু ছাগল গোসল করানোর সময় পাড় ভেঙ্গে গড়িয়ে পড়ে নদীকে এক প্রকার হত্যা করেছে। একটা সময় ছিল নদীর বিভিন্ন স্থানে নিয়মিত জোয়ার-ভাটা হত। তখন প্রায় ৮০ হাজার একর জমিতে কৃষকরে সেচ কাজের সমাধান হত। পানির কোন অভাব হত না। বর্তমানে নদীতে পানি না থাকায় উৎপাদন কাজে সেচের ব্যাহতসহ প্রায় ১০ লাখ মানুষ চরম দূর্ভোগের সৃষ্টি হচ্ছে। যদিও প্রাকৃতিকভাবে নদী ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে, তবে এই প্রতিকূল অবস্থার জন্য মানুষের সৃষ্টি কারণ মুখ্যভাবে দায়ী বলে বিশেষব্যাক্তিরা অভিমত ব্যক্ত করেছেন। যার কারনে নদী হারিয়েছে তার অতীত ঐতিহ্য এবং পরিণত হয়েছে মরা নদীতে। ১৯২৭ সালের মাত্র চিত্রের তথ্যনুযায়ি, চিত্রা নদীটি কুষ্টিয়ার গড়াই নদী থেকে উৎপত্তি হয়ে চুয়াডাঙ্গার দর্শাণার পাশ দিয়ে ঝিনাইদহ সদর, কোটচাঁদপুর-কালিগঞ্জের মধ্যদিয়ে ১৭০ কিলোমিটার নদীটি, ৮ জেলা ২৬ থানা অতিক্রম করে রূপসা নদীর সাথে মিলিত হয়েছে। এক সময়ের উত্তাল প্রমত্ত চিত্রা নদী জীববৈচিত্র হারিয়ে নিজেও যেতে বসেছে। সচেতনব্যাক্তিদের অভিমত, গত শতকের ৬০ এর দশকে দাতা সংস্থার পরামর্শ ও অর্থায়নে কিছু জলকাঠামো নির্মাণ করা হয়। যেগুলোর সবচেয়ে ভয়াবহ প্রভাব পরিলক্ষিত হয় ঝিনাইদহ অঞ্চলের নদী গুলোর উপর। যার ভয়াবহতার কবল থেকে বাদ পড়েনি এক সময়ের প্রমত্ত চিত্রা। এই বাঁধ গুলোই নদীর প্রবাহমান ও গতিময়তাকে গ্রাস করে শীর্ণ দশায় পরিণত করেছে। অতীতে যে নদীতে লঞ্চ, স্টিমার ও জাহাজ চলতো, আজ সেখানে আবাদি জমিতে পরিনত হয়েছে। যদিও নদীটি সংস্কারের দাবিতেও অবৈধ দখলমুক্ত করতে জেলাবাসিসহ বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবি সংগঠন আন্দোলন সংগ্রাম করছে। এরই মধ্যে নদীকে নদীটির পশ্চিমে নব্যতা ফিরিয়ে আনতে চুয়াডাঙ্গার মধ্যে ২৬ কিলোমিটার খননের কাজ শুরু হয়েছে। ফলে, জেলাবাসিও তাদের অংশে খননের মাধ্যমে নব্যতা ফিরিয়ে আসতে সোচ্চার হয়ে উঠেছে। এ বিষয়ে ঝিনাইদহ পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকৌশলী সরওয়ার জাহান সুজন বলেন, নদীটি খননের বিষয়ে ড্রাফট করা হয়েছে। আশা করা যাচ্ছে, দ্রæতই কাজ শুরু করা সম্ভব হবে।

Comments

comments

এই খবর সবার সাথে শেয়ার করুন

এই ধরনের আরও খবর
© স্বত্ব গোবিখবর ২০১৩-২০২০

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft