সর্বশেষ সংবাদ

রাজধানী সহ সারাদেশে চলছে কোরবানির প্রস্ততি

মির-হোসেন সরকার: ঈদুল আজাহাকে ঘিরে নগরীর বিভিন্ন রাস্তার পাশে চলছে ছুরি, চাপাতি, দা, বটিসহ গরুর মাংস কাটা ও চামড়া ছড়ানোর ব্যবহৃত নানা সরঞ্জামের সান দেওয়ার কাজ। এবং বিক্রি হচ্ছে কোরবানির মাংস কাটার জন্য গাছের গুরি এবং কোরবানির পশুর জন্য বিভিন্ন ধরনের খাবার। সারাদেশে একই চিত্র পরিলক্ষিত হচ্ছে বলে জানা গেছে।

রবিবার (১১ আগষ্ট) বিকাল সাড়ে ৩ টায় নগরীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায় রাস্তার পাশে কোরবানির চামরা ছড়ানোর জন্য নানা কাজে ব্যবহৃত সরঞ্জাম যেমন, ছুরি, চাপাতি, দা, বটিসহ নানা যন্ত্রপাতি সান দিতে দেখা যায় বেশ কয়েকজন কর্মকারকে। তাদের একজন মাসুদ নামের কর্মকারের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, আগামীকাল পবিত্র ঈদুল আজাহা। এজন্য মানুষ আল্লাহ সন্তুষ্টির লাভের জন্য কোরবানি দেন। আর কোরবানিকে ঘিরে চামরা ছড়ানোর জন্য বিভিন্ন সরঞ্জাম আমরা সান দিয়ে থাকি। প্রতি বছর কোরবানির এই সময়টাতে আমরা এই কাজ করে থাকি এবং পাশাপাশি কোরবানির গরুর খাবার ও মাংস কাটার জন্য গাছের গুড়িও আমরা বিক্রি করে থাকি।

আগামীকাল মুসলমানদের পবিত্র ঈদুল আজাহা উযযাপন। ঈদকে ঘিরে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় কোরবানি দেওয়ার জন্য বৃষ্টি থেকে রক্ষা পেতে রাস্তার উপরে কাপর টাঙ্গানোর দৃশ্যপট দেখা যায়। বর্তমান এটা বর্ষাকাল মসুম। এই সময়টাতে বৃষ্টি হয়ে থাকে। বৃষ্টি থেকে রক্ষা পেতে ভালভাবে কোরবানি দিয়ে ঘরে ফিরে যেতে যেন কোন প্রকার বৃষ্টির বাঁধাগত সৃষ্টি না হয় সেজন্য নগরীর বিভিন্ন এলাকায় কোরবানির স্থানের উপরে কাপর টাঙ্গানো হচ্ছে।

মোহাম্মদপুর বাস স্ট্যান্ড সংলগ্ন বেরি বাঁধ রোডে কোরবানির স্থানের উপর কাপর টাঙ্গাতে দেখা যায় কয়েকজন কর্মীকে। ওদেরই ভিতরে এক কর্মী মাসুদ “গোবি খবরের” এক প্রতিবেদকে বলে, আগামীকাল কোরবানির ঈদ। এই ঈদকে ঘিরে আমরা আল্লাহর সন্তুষ্টির লাভের জন্য আমরা কোরবানি দিয়ে থাকি। তারপর এখন আবার বর্ষাকাল বৃষ্টির হওয়ার সম্ভবনাও বেশি। আজকে আকাশটাও খারাপ। কাল এক পত্রিকায় দেখলাম ঈদের দিন নাকি বৃষ্টি হওয়ার সম্ভবনা আছে। তাই আজকে আগে ভাগে কোরবানির নিদিষ্ট স্থানের উপর কাপর টাঙ্গিয়ে দিচ্ছি। যদিও কাল বৃষ্টি হয় সেক্ষেত্রে কোরবানি দিতে যেন কোন প্রকার বৃষ্টির ভোগান্তির পরিস্থিতিতে পরতে না হয়। কোরবানির স্থান সুরুক্ষা করে রাখছি।

বনানী কাঁচা বাজারের পাশে কয়েকজন কর্মকারকে কোরবানির কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম মেরামত করতে দেখা যায়। এদের ভিতর মুনসুর নামে এক কর্মকার গোবি খবরের এক প্রতিবেদকে বলে, প্রতি কোরবানির ঈদে এই সময়টাতে আমরা কোরবানির বিভিন্ন সরঞ্জাম মেরামত করে থাকি। সব বারের মতো এই বারও আমরা সেই কাজে যুক্ত হইছি। পাথ্যর্ক হলো শুধু একটাই গত কোরবানির ঈদের চেয়ে এই ঈদে কাষ্টমারের চাপ একটু কম। তারপরেও আল্লাহর রহমতে কাজের কোন কমতি নেই বলে আশা করি।

Comments

comments