1. rsumon83@gmail.com : Gobi Khobor : Mostofa Kamal
  2. omar1@gobikhobor.com : omar Faruk : omar Faruk
  3. ariful.bpi2012@gmail.com : Ariful Islam : Ariful Islam
  4. omar@gobikhobor.com : omar Faruk : omar Faruk
  5. rsaidul34@gmail.com : Saidul Islam : Saidul Islam
মধুপুরে কেমিক্যাল দিয়ে পাকানো হচ্ছে আনারস - গোবি খবর
শুক্রবার, ২৯ মে ২০২০, ১২:০৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে আরও ৫ জনের করোনা শনাক্ত করোনা সচেতনতা এবং গোবিন্দগঞ্জের একজন রিক্সাওয়ালা গাইবান্ধায় আরো ৪ জনের করোনা শনাক্ত সাদুল্লাপুরে বজ্রপাতে ৫ম শ্রেণীর শিক্ষার্থীর মৃত্যু সাঘাটায় ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়া এমপি’র স্ত্রীর কুলখানি অনুষ্ঠিত সাদুল্লাপুরে হাসপাতাল গেটেই সন্তান জন্ম, ঘটনা তদন্তে ২টি কমিটি নবীনগরে তিন শতাধিক পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করলেন শামীম আব্দুল্লাহ মেয়েরা কেন নাকে দুল পড়ে নগদ অর্থ সহায়তা কার্যক্রমে অনিয়মের ঘটনায় ২ ইউপি চেয়ারম্যান ও ৩ সদস্য বরখাস্ত লকডাউন শিথিলের সময় সরকারের নির্দেশনা মেনে চলুন : সেতুমন্ত্রী

মধুপুরে কেমিক্যাল দিয়ে পাকানো হচ্ছে আনারস

  • আপডেট করা হয়েছে : রবিবার, ১৬ জুন, ২০১৯
  • ১৪ বার পঠিত

হাফিজুর রহমান, টাঙ্গাইল প্রতিনিধি:
টাঙ্গাইলের মধুপুরের আনারস অধিক লাভের আশায় পরিপক্ক হওয়ার আগেই কেমিক্যাল দিয়ে পাকানো হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আনারস পরিপক্ক না হলেও কেমিক্যাল ব্যবহারের কারণে খুব সহজেই তা হলুদ বর্ণ ধারণ করছে। দেখতে ঠিক পাকার মতো মনে হলেও বাস্তবিক অর্থে আনারসগুলো আরও তিন থেকে চার মাস পর পরিপক্ব হবে। এসব আনারস কেমিক্যাল দিয়ে পাকানোর ফলে আনারসের আসল স্বাদ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে এবং এগুলো খেলে অসুস্থ হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।

জানা যায়, জেলার মধুপুর ও ঘাটাইলের আশপাশের বাজারগুলোতে প্রকাশ্যেই বিক্রি হচ্ছে এসব বিষাক্ত কেমিক্যালযুক্ত আনারস।
সরেজমিনে মধুপুরের মোটের বাজার এলাকার আনারস চাষি ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এসব কাঁচা আনারস পাকানোর জন্যে প্রতি ১৬ লিটার পানিতে ৪টা রাইপেন-১৫, লবণ ও পটাশ সারের মিশ্রণ ব্যবহার করে কয়েক দিন খেতের ভিতর রেখে দেওয়া হয়। বিস্বাদ হওয়ার কারণে কেউ এগুলো চুরি পর্যন্ত করে না।

আরো জানা যায়, কেমিক্যাল একবার দেওয়ার পর না পাকলে পুনরায় আবার দেওয়া হয়। দুই দফায় আনারসে কেমিক্যাল দেওয়ার ফলে অপরিপক্ক আনারসও হলুদ রং ধারণ করে। চাষি ও কেমিক্যাল ব্যবসায়ীরা বলেন, আনারস পাকানোর জন্য রাইপেন-১৫-এর পাশাপাশি হারবেস্ট, প্রমোট, সারাগোল্ড, ইটিপ্যাস, এলপেনসহ লবণ ও পটাশ সারের মিশ্রণ ব্যবহার করা হয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আউশনারা এলাকার এক কেমিক্যাল ব্যবসায়ী বলেন, আমরাও জানি কেমিক্যাল ব্যবহার করা ঠিক না। কিন্তু চাষিদের চাহিদা বেশি থাকায় আমাদের বিক্রি করতেই হয়। আমরা বিক্রি না করলে কি হবে কেউ না কেউ বিক্রি করেই। একই এলাকার আনারস চাষি সাহাদত হোসেন বলেন, মেডিসিন ছাড়া আনারস বাজারে তোলার পর তা বিক্রি হয় না।

আমরা চাষিরা ব্যবহার না করেই বা কি করব? আমরা তো অসহায়! কেমিক্যাল ছাড়া আনারস কেনে না কেউ, কেমিক্যাল ছাড়া আনারস দেখতে ভালো লাগে না, একটু চাপ লাগলেই গলে যায়। আর মেডিসিন দেওয়া আনারস দেখতে হলুদ-পাকার মতো, বাজারে এর চাহিদাও বেশি। তাই আমরা ওটাই কিনে দেশের বিভিন্ন জায়গায় পাঠাই।

এলাকাবাসীর দাবি, যে হারে কাঁচা আনারস ক্ষতিকর কেমিক্যাল দিয়ে পাকানো হচ্ছে এভাবে চলতে থাকলে মধুপুরের আনারসের যে সুনাম তা খুব অচিরেই বিলীন হয়ে যাবে। তাই এখনই এই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মহলের দৃষ্টি দেওয়া উচিত।

Comments

comments

এই খবর সবার সাথে শেয়ার করুন

এই ধরনের আরও খবর

গোবিন্দগঞ্জ ও তৎসংলগ্ন এলাকার জন্য

সারাদেশের জন্য

© স্বত্ব গোবিখবর ২০১৩-২০২০

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft