1. rsumon83@gmail.com : Gobi Khobor : Mostofa Kamal
  2. omar1@gobikhobor.com : omar Faruk : omar Faruk
  3. ariful.bpi2012@gmail.com : Ariful Islam : Ariful Islam
  4. omar@gobikhobor.com : omar Faruk : omar Faruk
  5. rsaidul34@gmail.com : Saidul Islam : Saidul Islam
ধামইরহাটে দুই দিনের ব্যবধানে প্রতি মণ ধানের দাম বেড়েছে ১৫০ টাকা - গোবি খবর
শুক্রবার, ২৯ মে ২০২০, ১২:১৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে আরও ৫ জনের করোনা শনাক্ত করোনা সচেতনতা এবং গোবিন্দগঞ্জের একজন রিক্সাওয়ালা গাইবান্ধায় আরো ৪ জনের করোনা শনাক্ত সাদুল্লাপুরে বজ্রপাতে ৫ম শ্রেণীর শিক্ষার্থীর মৃত্যু সাঘাটায় ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়া এমপি’র স্ত্রীর কুলখানি অনুষ্ঠিত সাদুল্লাপুরে হাসপাতাল গেটেই সন্তান জন্ম, ঘটনা তদন্তে ২টি কমিটি নবীনগরে তিন শতাধিক পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করলেন শামীম আব্দুল্লাহ মেয়েরা কেন নাকে দুল পড়ে নগদ অর্থ সহায়তা কার্যক্রমে অনিয়মের ঘটনায় ২ ইউপি চেয়ারম্যান ও ৩ সদস্য বরখাস্ত লকডাউন শিথিলের সময় সরকারের নির্দেশনা মেনে চলুন : সেতুমন্ত্রী

ধামইরহাটে দুই দিনের ব্যবধানে প্রতি মণ ধানের দাম বেড়েছে ১৫০ টাকা

  • আপডেট করা হয়েছে : রবিবার, ২ জুন, ২০১৯
  • ৮ বার পঠিত

মো.হারুন আল রশীদ, ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধিঃ
নওগাঁর ধামইরহাটে দুই দিনের ব্যবধানে প্রতি মণ রোবো ধানের দাম বেড়েছে ১৫০ টাকা। বর্তমানে বাজাওে ৭শত ৮০ টাকা দরে ধান কেনাবেচা চলছে। ধানের আমদানী কম এবং চালের উপর সরকার শুল্ক আরোপ করায় এ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। তবে প্রান্তিক কৃষকরা এ সুবিধা না পেলেও মধ্যস্বত্বভোগী ও মজুদারদের মুনাফা হচ্ছে।

জানা গেছে,ধামইরহাট উপজেলার ইরি বোরো ধান রেকর্ড পরিমাণে উৎপাদন হয়েছে। কৃষি বিভাগের তথ্য মোতাবেক ধামইরহাট উপজেলায় ১৬ হাজার ৪শত ৫০ হেক্টর জমিতে কৃষকরা বোরো চাষ করে। ফলনও মোটামুটি সন্তোষ জনক। একর প্রতি ফলন হয়েছে প্রায় ৬৫ থেকে ৭০ মণ। তবে ধান কাটতে গিয়ে কৃষককে বিড়ম্বনার শিকার হতে হয়েছে। ৪০ মণ ধান কাটতে শ্রমিক কে দিতে হয়েছে প্রায় ১৪ থেকে ১৫ মণ। অনেক জায়গায় তার চেয়ে বেশি দরে ধান কাটতে বাধ্য হয় কৃষকরা। তবে বাজারে ধানের দাম না থাকায় কৃষক তার ফসলের উৎপাদন খরচ ওঠাতে না পেয়ে হতাশ হয়ে পড়েন। প্রান্তিক কৃষকের যখন ধান ছিল তখন বাজারে ধানের মণ প্রকারভেদে ৫৮০ থেকে ৬৩০ টাকা দরে কেনাবেচা হয়েছে। মইশড় গ্রামের কৃষক দিলদার হোসেন বলেন,শ্রমিক ও ধানের উৎপাদন খরচ ওঠানো মুশকিল হয়ে পড়েছে। তাছাড়া ধানের দাম কম থাকায় এ পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। বড় চকগোপাল (আবিলাম) গ্রামের কৃষক রবিউল আলম লিটন বলেন,শ্রমিক সংকট ও ধানের উৎপাদন খরচ না ওঠায় আগামীতে বোরো ধান চাষে কৃষক বিমুখ হয়ে পড়বে। গত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ধানের দাম ৬শত ৩০ টাকা পর্যন্ত কেনা বেচা চলছেও গত শুক্রবার থেকে বাজারে দাম বাড়তে থাকে। গতকাল রবিবার এলাকার সর্ববৃহৎ ধামইরহাটে হাটবারে প্রতি মণ জিরাশাইল (সরু) ধান প্রকারভেদে ৭শত ৬০ থেকে ৭শত ৮০ টাকা পর্যন্ত কেনাবেচা হয়েছে। ধানের মূল্য বৃদ্ধিতে কৃষকের মাঝে সোনালী স্বপ্ন দেখা দিয়েছে। তারা এ বাজার ধওে রাখার জন্য জোর দাবী জানিয়েছেন। ধামইরহাট পূর্ব বাজারের ধানের আড়ৎদার আলহাজ্ব শবনম কাওছার স্বপন বলেন,গত দুই দিনে ধানের মণ প্রতি ১শত ৫০ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। ধানের আমদানী কম ও চালের উপর সরকারের শুল্ক আরোপ করায় এ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। এবার ধামইরহাটে প্রায় ১ লক্ষ মে.ট্রন ধান উৎপাদন হলেও সরকারীভাবে ধান ক্রয় করা হচ্ছে মাত্র ৫শত ৮ মে.ট্রন। এব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সেলিম রেজা বলেন,বাজারে ধানের মূল্য ৮শত টাকা হলে কৃষক উৎপাদন খরচ মেটানের পর কিছুটা মুনাফা পেতে পারে। প্রতিমণ ধান উৎপাদন করতে কৃষককে খরচ করতে হয়েছে প্রায় ৭শত থেকে সাড়ে ৭শত টাকা।

Comments

comments

এই খবর সবার সাথে শেয়ার করুন

এই ধরনের আরও খবর

গোবিন্দগঞ্জ ও তৎসংলগ্ন এলাকার জন্য

সারাদেশের জন্য

© স্বত্ব গোবিখবর ২০১৩-২০২০

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft