সর্বশেষ সংবাদ

সুন্দরগঞ্জে রমজান উপলক্ষে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদির মূল্য একধাপ বৃদ্ধি

মোঃ মোজাফ্ফর হোসাইন, সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধিঃ
পবিত্র মাহে রমজানের শুরুতেই গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলা বিভিন্ন হাট বাজারের নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদির মূল্য একধাপ বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে কাঁচা বাজারে প্রতিটি দ্রব্যের দাম ১০ হতে ১৫ টাকা বেড়ে গেছে। যার কারণে সাধারণ ক্রেতাগণ হতাশাগ্রস্থ হয়ে পড়েছে। যে হারে দাম বেড়ে যাচ্ছে তাতে করে নিম্ন আয়ের পরিবারদের পক্ষে কাঁচা বাজারের দ্রব্য ক্রয় করা সম্ভব হবে না। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ হতে এখন পর্যন্ত বাজার মনিটরিং ব্যবস্থা করা হয়নি। উপজেলার বিভিন্ন হাট বাজার ঘুরে ফিরে এবং খোঁজ খবর নিয়ে জানা গেছে, রোববার প্রতিটি হাট বাজারে আলু ১৫-৩৫ টাকা, পটল ৫০-৬০ টাকা, বেগুন ৩০-৪০ টাকা, করলা ৫০-৭০ টাকা, ঢেড়স ৩০-৪০ টাকা, ঝিঙ্গা ৬০-৭০ টাকা, শষা ৫০-৬০ টাকা, টমেটো ৪০-৫০ টাকা, কুমড়া ৩০-৮০ টাকা, বরবটি ৫০-৬০ টাকা, পিঁয়াচ ৪০-৫০ টাকা, মরিচ ৪০-৬০ টাকা, রসুন ৮০-১২০ টাকা, আদা ১২০-১৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এদিকে গরুর মাংস ৫০০-৫২০ টাকা, খাসির মাংস ৬০০-৭০০ টাকা, কক মুরগি ২৫০-২৭০ টাকা, ব্রয়লার ১৫০-১৭০ টাকা, কাপ জাতীয় মাছ ৩৫০-৪০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। যা গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে ১০-১৫ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। সুন্দরগঞ্জ বাজারের কাঁচা মাল ব্যবসায়ী হামিদুল ইসলাম জানান, এখন বর্ষাকাল যার কারণে প্রতিটি তরিতরকারির দাম বেড়ে গেছে। তিনি বলেন, আমরা আরদ থেকে মাল নিয়ে এসে বিক্রি করি। এখানে আমাদের করার কিছুই নাই। আমরা মাত্র ২-৩ টাকা লাভ নিয়ে প্রতি কেজি মাল বিক্রি করে থাকি। মাছ ব্যবসায়ী রনজিৎ কুমার সরকার জানান, এখন তো নদী-নালা, খাল বিলের মাছ পাওয়া যায় না। চাষ করা মাছ ছাড়া কোন উপায় নাই। তাই মাছের দাম বেড়ে গেছে। তা ছাড়া রমজান মাস উপলক্ষে মাছের দাম একটু বেড়ে গেছে। মাংস ব্যবসায়ী দুলু মন্ডল জানান, গরুর দাম বেড়ে যাওয়ায় কেজি প্রতি ৫০-৬০ টাকা বেশি বিক্রি করতে হচ্ছে। রিক্সা চালক ফরমান আলী জানান, যে ভাবে প্রতিটি জিনিসের দাম বেড়ে যাচ্ছে তাতে করে আমাদর পক্ষে ভালভাবে রোজা করা সম্ভব হবে না। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. সোলেমান আলী জানান, পবিত্র মাহে রমজান মাসে যেন নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদির মূল্য বৃদ্ধি না পায় সে ব্যাপারে নিয়মিত বাজার মনিটরিং করা হবে।

Comments

comments