সর্বশেষ সংবাদ

ফুলছড়িতে হঠাৎ করেই নদীভাঙন হুমকীর মুখে ২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

1মোঃ আমিনুল হক,ফুলছড়ি থেকে: শনিবার গভীর রাতে হঠাৎ করেই ব্র‏হ্মপুত্র নদী রুদ্ররুপ ধারণ করে ভাঙতে থাকে নদীপাড়। মুহুতের মধ্যে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায় ৫০ মিটার এলাকা। আতঙ্ক গ্রস্থ হয়ে পড়ে নদীতীর ঘেষে বসবাসকারী কামারপাড়া গ্রামের ৩ শতাধিক পরিবার। ওই রাতেই ছোটাছুটি করে ঘরের জিনিসপত্র সড়াতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে লোকজন। গত রবিবার ভাঙন কবলিত এলাকায় প্রতিরক্ষামূলক কাজ হিসেবে জিওব্যাগ ডাম্পিং করা হচ্ছে। ফুলছড়ির উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের কামারপাড়া এলাকাজুড়ে শনিবার রাতে হঠাৎ করে তীব্র নদীভাঙন শুরু হয়। রাত ৩ টার দিকে নদী ভাঙনের শব্দ শুনে জেগে ওঠে সবাই। তীরঘেষে যাদের ঘরবাড়ি তারা ঘরের জিনিসপত্র সড়াতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। আতঙ্ক গ্রস্ত হয়ে পড়ে ওই গ্রামের ৩ শতাধিক পরিবার। দিনমজুর নিতাই মোহন্ত জানান, ধপাস ধপাস শব্দ শুনে আমার ঘুম ভাঙে। ঘরের বাহিরে আসি দেখি নদী ভাঙবার নাগচে। কামারপাড়া গ্রামের নুরুন্নবী মুন্সী বলেন, যেভাবে ভাঙন শুরু হয়েছিল তাতে এ গ্রামের একটি বাড়িও রক্ষা করা সম্ভব হতো না। তাই জরুরী ভিত্তিতে নদী শাসন না করলে কামারপাড়া এলাকা গজারিয়া ইউনিয়নের মানচিত্র থেকে চিরতরে মুছে যাবে। উপজেলার গজারিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মনোতোষ রায় মিন্টু ভাঙনের কথা স্বীকার করে বলেন, শনিবার রাত ৩ টার দিকে কামারপাড়া এলাকায় ভাঙন শুরু হয়। ওই এলাকার প্রায় ৫০ মিটার এলাকা ব্র‏‏হ্মপুত্র নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। বর্তমানে হুমকীর মুখে রয়েছে ফুলছড়ি ডিগ্রী কলেজ, ফুলছড়ি সিনিয়র মাদ্রসা, ঈদগা মাঠ, দু’টি মন্দিরসহ ওই এলাকার প্রায় ৫ শতাধিক পরিবার। গাইবান্ধার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল আউয়াল মিয়ার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, নদীর তীরে জিও ব্যাগ স্থাপনের মাধ্যমে ভাঙন রোধের চেষ্টা চালানো হচ্ছে। জাতীয় সংসদের স্পিকার এডভোকেট ফজলে রাব্বী মিয়া এমপি নদী ভাঙনের বিষয়টি উপজেলা চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমানের নিকট থেকে জানতে পেরে তাৎক্ষনিক ভাবে পানি উন্নয়ন বোর্ডকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া জন্য নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

Comments

comments