সর্বশেষ সংবাদ

চুরির অপবাদ ধামাচাপা দিতে মিথ্যা মামলা 

নুর হোসেন রেইন, সাঘাটা (গাইবান্ধা) প্রতিনিধিঃ
চুরির অপবাদ ধামাচাপা দিতে, গাইবান্ধার সাঘাটায় সিমা আক্তার (২৮) নামের এক গৃহবধু দেশীয় বটি দিয়ে নিজ শরীর আঘাত করে কেটে। স্বামীর নামে গাছে বেঁধে নির্যাতন বিষয়ে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় ফলাও করে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে। সাঘাটা থানায় মামলা দায়ের করার এক চাঞ্চলকর ঘটনা ফাঁস হয়েছে।

সরেজমিনে সোমবার উপজেলার মথরপাড়া গ্রামে গিয়ে জানাগেছে, উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামের মোসলেম উদ্দিনের মেয়ে সিমা অক্তারের সাথে ঘুড়িদহ ইউনিয়নের মথরপাড়া গ্রামের জহুরুল ইসলামের ছেলে তাজিরুল ইসলামের বিবাহ হয় দশ বছর পূর্বে । বেশ ভালই চলছিল তাদের সংসার জীবন। সংসারে দুটি সন্তান হয়। তৃষা আক্তার অপরটি ¯েœহা আক্তার।সিমা সংসার করলে ও বাবা-মার কু-প্রচারনায়। গত দেড় বছর ধরে কারণে ও কারনে মামলা দেওয়ার হুমকিসহ আর্থিক ক্ষতি করার কথা বলে আসছিল সিমা। ঘটনার দিন গত বৃহস্পতিবার সীমা বেগম তার স্বামী তাজিরুলকে নেশা জাতীয় দ্রব্য ব্যবহার করে অচেতন করে।রাতে একটি টিভি,৩৫ হাজার টাকা, মোবাইল সেট চুরি করে সিমার আত্বিয়ের বাড়িতে নিয়ে যায়।পরেরদিন শুক্রবার স্বামী তাজরুল ঘড়ের জিনিস পএ চুরি বিষয়ে সিমার কাছে জানতে চাইলে।তাদের মধ্যে বাক বিতান্ডা শুরু হয়।দুটি সন্তান রেখে পিএালয়ে যাওয়ার সময় মামলাসহ বিভিন্ন ভয়ভীতি প্রদর্শন করতে থাকেন। এক পয্যায়ে সিমা বেগম দেশিয় ধারালো বটি (ছুড়ি) দিয়ে নিজ শরীরে আঘাত করে জখম করে আতœহত্যার চেষ্টা করে। পরে সিমা বেগম সাঘাটা হাসপাতালে ভর্তি হয়ে । স্বামীর পরকিয়ায় বাধা দেয়ায় গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় সিমা আক্তার নামে গৃহবধুকে ছুরিকাঘাতে হত্যার উদ্দেশ্যে নির্যাতন করে। গাছের সাথে বেঁধে নির্মম নির্যাতন করেছে স্বামী । মর্মে বিভিন্ন পএ- পএিকায় খবর প্রকাশ করা হয়। মামলা হয় স্বামী তাজরুলের নামে। বর্তমানে তারা পুলিশের ভয়ে বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে।

তাজিরুল ইসলামের কন্যা তৃষা আক্তার বলেন, আমার মা নিজেই হাত কেটেছে। তাজিরুল জানান, বিয়ের পর থেকে নানা ভাবে হয়রানী করে আসছেন। গাছে বেধে নিয্যাতন প্রশ্নই উঠেনা। আমাকে ফাঁসাতে এহেন ঘটনা সাজিয়েছে তারা।

চুরির বিষয়ে সাঘাটা থানায় অভিযোগ করা হলেও মামলা নেয়নি বলে তাজিরুল ইসলাম প্রতিবেদককে নিশ্চিত করেছে।

Comments

comments