সর্বশেষ সংবাদ

রোহিঙ্গারা ফিরে কোথায় থাকবে সেটা মিয়ানমার বুঝবে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

মির, ঢাকা সংবাদদাতা : রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে ইতোমধ্যেই বিপাকে পড়েছে বাংলাদেশ। তাই তাদের নিজ ভূমিতে ফেরত পাঠাতে প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে সরকার। তবে রোহিঙ্গারা মিয়ানমারে ফিরে গিয়ে কোথায় থাকবে এই বিষয়টি বাংলাদেশের দেখার বিষয় নয়, সেটা মিয়ানমারই বুঝবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন।

বুধবার (১১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের পল্লী কর্ম–সহায়ক ফাউন্ডেশনের (পিকেএসএফ) এসডিজি ৩: সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণ বিষয়ক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গারা মিয়ানমারে ফিরে কোথায় থাকবে এটি বাংলাদেশের দেখার বিষয় নয়। তবে বাংলাদেশ আশা করে রোহিঙ্গারা দ্রুত ফিরবে।

সম্প্রতি বিবিসির একটি প্রতিবেদনে দেখা গেছে রোহিঙ্গাদের ঘরবাড়ির জায়গায় সামরিক স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মিয়ানমারের রাখাইনে দেশটির সেনাবাহিনী পরিচালিত তান্ডবে ধ্বংসপ্রাপ্ত গ্রামে নির্মাণ করা হচ্ছে পুলিশের ব্যারাক, সরকারি বিল্ডিং ও শরনার্থী প্রত্যাবাসন কেন্দ্র। এক সরকারি ট্যুরে বিবিসি চারটি নিরাপদ অঞ্চলের সন্ধান পেয়েছে।

স্যাটেলাইটের ছবির মাধ্যমে বিবিসি জানতে সমর্থ হয়েছে যে, চারটি রোহিঙ্গা গ্রামকে পুরোপুরি সরকারি অবকাঠামোতে রূপান্তর করা হয়েছে। ওই এলাকাগুলোতে সহিংসতার আগে সংখ্যালঘু রোহিঙ্গাদের বসতি ছিল।

এ বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, রোহিঙ্গারা ফিরে কোথায় থাকবে এটি মিয়ানমারের বিষয়। রোহিঙ্গাদের সমস্যার সমাধান মিয়ানমারের হাতেই।

তিনি বলেন, ‘আমরা সবসময়ই বলে আসছি রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন কিংবা স্থানান্তর কোনোটাই আমরা জোর করে করব না। তবে আমরা আশা করব, মিয়ানমার এই সমস্যা সমাধানে আন্তরিকতার পরিচয় দেবে।’

এ সময় ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধকালে ভারতে আশ্রয় নেয়া বাংলাদেশি শরণার্থীদের উদাহরণ টেনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের শরণার্থীদের ফিরিয়ে আনার সময় ঘরবাড়ির কথা ভাবা হয়নি। ফিরে এসে নিজেরাই ঘরবাড়ি তৈরি করে নিয়েছেন তারা।’

এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ‘ভাষানচরে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের স্থানান্তরের বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি।’

Comments

comments

Leave a Reply