সর্বশেষ সংবাদ

সাঘাটা-গাইবান্ধা সড়কে জোড়া তালির ব্রীজ

নুর হোসেন রেইন, সাঘাটা (গাইবান্ধা)প্রতিনিধিঃ
গাইবান্ধা-সাঘাটা সড়কে বাদিয়াখালী নামকস্থানে জোড়া তালির ব্রীজে ঝুঁকি নিয়ে চলছে যান বাহন ও পথচারী । সাঘাটা উপজেলা থেকে গাইবান্ধা জেলা শহরে প্রবেশের একমাএ সড়কটির বাদিয়াখালি আলাই নদীর উপর ব্রীজটি বিগত সময় বন্যায় পানির তোড়ে ক্ষতি হওয়ায় প্রশাসন আপদ কালিন টানা ব্রীজ ও বাকি অংশে লোহার পাটতন জোড়া তালি দিয়ে কোন মতে যান বাহন চলাচলের ব্যাবস্থা করেছেন । অস্থায়ী ভাবে লাগানো লোহার পাটাতন নড়বড়ে ও একপাশে রেলিং চুরি যাওয়ায়।যানবাহন চলাচলে মারাতœক হুমকি হয়ে পড়েছে। প্রায় দুই যুগের পুরনো ওই ব্রীজ দিয়ে মারাতœক ঝুকি নিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার যানবাহন সাঘাটা ও ফুলছড়ি উপজেলায় চলাচল করছে । প্রস্থত না হওয়ায় এ পর্যন্ত অন্তত অর্ধশতাধিক ছোট বড় দুর্ঘটনা ঘটেছে ওই ব্রীজে । গত বন্যায় আরো ক্ষতির মুখে পড়েছে ব্রীজটি। নিচের মাটি এবং মাটি আটনো দেয়াল ভেঙ্গে যাচ্ছে।

জানাযায়, সাঘাটা ও ফুলছড়ি উপজেলার হাজার হাজার মানুষের গাইবান্ধা জেলা শহরে যাতায়াতের জন্য একটি মাএ ব্রীজ গত ১০ বছর পূর্বে একাংশ ধসে ও ভেঙ্গে যাওয়ায় যোগাযোগ বিচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। কর্তৃপক্ষ ধসে যাওয়া প্রায় ২০ ফুট স্থানে পাটাতন দ্বারা যানবাহন যাওয়া আসা ব্যবস্থা করে । তখন থেকে এ পর্যন্ত মেরামত কিংবা ব্রীজটি উন্নয়নে কোনো ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়নি নড়বড়ে পাটাতনের ওপর দিয়ে জীবনের ঝুকি নিয়ে যাএী বাহী যানবাহনসহ ভারি যান বাহন গÍলো চলাচল করছে। ব্রীজটি অন্যান্য অংশে ও অতিরিক্ত যানবাহনের চাপে ক্ষতি গ্রস্ত হওয়ার আশংকা রয়েছে। যে কোন মূহুর্তে ব্রীজ ভেঙ্গে যান বাহন চলাচল বিছিন্ন হতে পারে। এ ছাড়া সাঘাটা – গাইবান্ধা সড়কে গত বন্যায় বিভিন্ন স্থানে মাটি ধসে, পিচ উঠে অতিরিক্ত যানবাহনের চাপে খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। এলাকাবাসি জরুরী ভিত্তিতে একটি প্রস্থত আর সি সি গার্ডার ব্রীজ নির্মানের দাবী জানিয়েছেন সরকারের প্রতি ।

সাঘাটার পদুম শহর ইউপি চেয়ারম্যান তৌহিদুজ্জামান স্বপন জানান, একটি পাকা ব্রীজ দরকার ওই স্থানে। বোনার পাড়া বাজারের হটেল ব্যবসায়ী অবিনাস জানান, ব্রীজটি নির্মান করা হলে আর দূঘটনা ঘটবেনা। ভরতখালীর ওমর ফারুক বলেন,ব্রীজটি নির্মানের দাবী এলাকাবাসির বহুদিনের, জরুরী ভাবে ব্রীজ করা না হলে যে কোন মহুর্তে বড় ধরনের ঘটনা ঘটতে পারে। গাইবান্ধা সড়ক ও জনপদ বিভাগের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন কর্মকর্তা বলেন,ব্রীজ হবে তবে একটু সময় লাগছে।

Comments

comments

Leave a Reply