সর্বশেষ সংবাদ

টোকাই কানাই এখন ভূমিদস্যু -অত্যাচারে অতিষ্ট এলাকাবাসী

হাফিজুর রহমান, টাঙ্গাইল প্রতিনিধি:
টাঙ্গাইলেরর মির্জাপুর উপজেলার সড়িষাদাইড় এলাকার নিরীহ পলাশ কর্মকারের ভ‚মি প্রভাবশালীদের সহযোগীতায় জোড় করে দলখ করে নিয়েছে একই গ্রামের কানাই কর্মকার। সে প‚র্বে টোকাই ছিল। তার বিভিন্ন অপকর্মের কারণে তাকে কয়েকবার এলাকাবাসী মিলে চুল কেটে ন্যাড়া করে দিয়েছিল।

টোকাই কানাই চোরাই মোটারসাইকেল ব্যবসার সাথে জড়িত ও বিভিন্ন চুরি-চামারিসহ এলাকার বিভিন্ন অসামাজিক কাজে লিপ্ত আছে। সে বর্তমানে প্রতিনিয়ত পলাশ কর্মকার ও তার পরিবারকে প্রাণ নাশের হুমকি দিয়ে আসছে।
নাম পাকাশে অনুচ্ছিক এলাকার লোকজন জানান,পৈত্রিক স‚ত্রে জমিতে একই গ্রামের সঞ্জয় ও রবি কর্মকার বসবাস করছে। পরবর্তীতে তাদের অংশের ১.৭০ শতাংশ জমি ২০১৩ সালের ২৯ এপ্রিল দলিল ম‚লে পলাশ কর্মকারকে হস্তান্তর করে তাদের দখল ছেড়ে দেন। পরে পলাশ কর্মকার সেই ভ‚মি নিজের নামে খারিজ করে বাড়ী-ঘর নির্মান করে পরিবার পরিজনদের নিয়ে বসবাস করে আসছে। একইভাবে হাবেল ও কাবেল শিকদারের ১০৮ শতাংশ জমি এবং সম্ভু (মিলিটারী) এর ২৭ শতাংশ দখল করেছে কানাই কর্মকার। এভাবে সে একের পর এক নিরীহ মানুষের জমি দখল করে যাচ্ছে। এই জমি দখলের বিষয়ে কেও কথা বললে তাকে মিথ্যা মামলা দিয়ে ফাঁসিয়ে দেয় কানাই কর্ককার। টোকাই কানাই কর্মকারের পিছনে বড়ধরণের হাত রয়েছে বলে এলাকাবসীরা চুপ থেকে তার নির্যাতন ও কুকর্ম সহ্য করে যাচ্ছে। কিন্তু পরবর্তীতে পলাশ কর্মকারের কওলা ম‚লে পাওয়া জমি রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে দখল করে নিয়েছে এই টোকাই কানাই কর্মকার।
এ বিষযে স্থানীয় প্রশাসকে অবহিত করেও কোন ফল পাচ্ছে না পলাশ কর্মকারসহ ভুক্তভূগীরা। এছাড়াও কানাই কর্মকার রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে একই এলাকায় একাধিক জমি দখল করেছে বলে স্থানীয় একটি স‚ত্র জানিয়েছে। টোকাই কানাই কর্মকার বিভিন্ন সরকারী ও বেসরকারী অফিস আদালতে গিয়ে মির্জাপুর-৭ আসনের এমপি একাব্বর হোসেনের নাম ভাঙ্গিয়ে দাপট দেখিয়ে জমি দখল করে যাচ্ছে।
এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে হাবেল ও কাবেল শিকদার এবং পলাশ কর্মকার জানান, কানাই কর্মকারের এই ভ‚মি দখল কারার পিছনে এমপি একাব্বর হোসেন এর হাত রয়েছে।
এ বিষয়ে কানাই কর্মকারের সাথে মোবাইল ফোনে যোগায়োগ করা হলে তিনি এসব অভিয়োগ অস্বিকার করেন।

Comments

comments