সর্বশেষ সংবাদ

বসন্ত ও ভালোবাসা দিবসকে ঘিরে সেজেছে গাইবান্ধার ফুলের দোকানগুলো

রওশন আলম পাপুল, গাইবান্ধা প্রতিনিধি:
ঋতুরাজ বসন্তের ফাল্গুন মাসের আজ প্রথম দিন আর রাত পেরোলেই বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। এই দুইটি দিনকে ঘিরে গত কয়েকদিন থেকে সেজেছে গাইবান্ধার ফুলের দোকানগুলো। নতুন আনা রং-বেরঙ্গের নানান ফুলের পসরা সাজিয়ে বসেছেন দোকানিরা। নিজেরাও সেজেছেন ফুলের তৈরি মালা দিয়ে।

শহরের ডিবি রোডের আসাদুজ্জামান মার্কেটের কণা, ঘাসফুল, মনীষা ও লিতু ফুল ঘরগুলোতে সুন্দর করে তৈরি করা হচ্ছে তোড়া, গাদা ফুলের মালা ও সতেজ রাখতে গোলাপ, রজনীগন্ধা ও গ্লাডিওলাস ফুল থরে থরে সাজিয়ে রাখা হয়েছে পানিভর্তি বালতিতে।

মঙ্গলবার সকালে ফুলের দোকানগুলোতে দেখা গেছে স্কুল-কলেজগামী বিভিন্ন বয়সের ছেলে-মেয়েরা এসেছে ফুল কিনতে। গাইবান্ধার ফুলের দোকানগুলো চলে স্থানীয়ভাবে সাদুল্লাপুর ও সুন্দরগঞ্জ উপজেলার উৎপাদিত ও যশোর থেকে আনা ফুল দিয়ে।

কণা ফুল ঘরের স্বত্তাধিকারী আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ঋতুরাজ বসন্ত ও বিশ্ব ভালোবাসা দিবসকে ঘিরে গত কয়েকদিন থেকে আমাদের ব্যস্ততা বেড়েছে কয়েকগুন। নতুন ফুল আনা, সেগুলো দিয়ে মালা তৈরি করাসহ বিভিন্ন কাজে কাটছে দিনের ব্যস্ত সময়।

ঘাসফুলের স্বত্তাধীকারী নয়ন কুমার বলেন, বসন্ত ও ভালোবাসা দিবসে ফুলের অনেক চাহিদা থাকে। বিশেষ করে গোলাপ ও রজনীগন্ধা ফুলের। তাই এসময়ে যাতে ফুলের কোন ঘাটতি না থাকে সেজন্য বেশি পরিমাণেই ফুল নিয়ে এসেছি আমরা।

ফুল কিনতে আসা গাইবান্ধা সরকারি কলেজের এক শিক্ষার্থী জানায়, আজ প্রিয় বসন্ত ও আগামীকাল বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। এই ধরনের দিবসগুলোতে যেন ফুলের বিকল্প কিছুই নেই। আর তাই প্রিয়জনকে উপহার দিতে দোকানে এসেছি ফুল কিনতে।

সুন্দরগঞ্জের ধর্মপুর এলাকার ফুলচাষী লিটন কুমার বলেন, আমার ফুলের নার্সারি থেকে জেলার বিভিন্নস্থানে আমি ফুল সরবরাহ করে থাকি। বছরের অন্যান্য মাসের তুলনায় ফেব্রুয়ারি মাসে ফুলের চাহিদা থাকে অনেক বেশি। আর তাই এই সময়ে বেশি পরিমাণে ফুল বিক্রি করা যায়।

Comments

comments